হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সল বলেছেন, মাধবপুর ও চুনারুঘাটে দীর্ঘদিন ধরে চলমান অনিয়ম, দুর্নীতি ও জুলুম-নির্যাতন চিরতরে বন্ধ করা হবে।
তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র। এ দেশে সব ধর্মের মানুষ সমান নাগরিক অধিকার নিয়ে বসবাস করার সাংবিধানিক অধিকার রাখে। কোনো গোষ্ঠী যদি দুর্বল মানুষের ওপর জুলুম চালায়, তবে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে।
সৈয়দ ফয়সল আরও বলেন, বিএনপি একটি উদারপন্থি গণতান্ত্রিক দল এবং সব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। বিএনপির শাসনামলে সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করেছে। ভবিষ্যতেও ধর্ম, বর্ণ ও গোষ্ঠী নির্বিশেষে সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে।
নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপির সাংগঠনিক রূপরেখা তুলে ধরে তিনি বলেন, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের মানুষের কল্যাণে ৩১ দফার রূপরেখা ঘোষণা করেছেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দল-মত, জাতি-গোষ্ঠী নির্বিশেষে সবাইকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে এই আসনটি বিএনপিকে উপহার দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা মাধবপুর ও চুনারুঘাটকে নতুনভাবে উন্নয়ন করতে চাই, যাতে এর সুফল এলাকার প্রত্যেক নাগরিক ভোগ করতে পারে। আমার কাছে সবার আগে দেশ ও দেশের মানুষ।’
একই দিন বিএনপি নেতা ও শিল্পপতি সৈয়দ শাফকাত আহমেদ কাপাই চা বাগানে শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ধানের শীষ প্রতীকে ভোটপ্রার্থনা করেন। তিনি বলেন, চা শ্রমিকরা এই এলাকার প্রাণশক্তি। তাদের জীবনমান উন্নয়ন ছাড়া প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি চা শ্রমিকদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও বাসস্থানের উন্নয়নে বিএনপির সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন।
অন্যদিকে, দিনভর নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. শাহজাহান এবং সায়হাম গ্রুপের এমডি ও বিএনপি নেতা সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ। তারা চৌমুহনী, বিষ্ণুপুর, মনতলা ও মাধবপুর পৌর শহরে ব্যাপক গণসংযোগ চালান।
এ সময় তারা বলেন, এই এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চনার শিকার। সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব ছাড়া প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়।
ভোটারদের আশ্বস্ত করে তারা আরও বলেন, ধানের শীষে ভোট দিলে এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। বিশেষ করে তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ বাড়ানোই হবে আগামী দিনে তাদের অন্যতম লক্ষ্য। দিনব্যাপী এসব কর্মসূচিতে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী
-সাইমুন










