দেশজুড়ে জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো শীত। এর সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শৈত্যপ্রবাহের স্থায়িত্ব। আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) জানিয়েছে, চলমান এই শৈত্যপ্রবাহ আগামী ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এর মধ্যে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কিছু এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমে ৬ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামার আশঙ্কা রয়েছে।
বিডব্লিউওটি-র পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে। বিশেষ করে আগামী ১০ ও ১১ জানুয়ারি তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়ে দেশের পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের জেলাগুলোতে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশের কিছু এলাকায় মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ চলছে। চলতি সপ্তাহের পুরোটা সময় শীতের এই তীব্রতা বজায় থাকবে। তবে ১০ জানুয়ারির পর থেকে কোনো কোনো এলাকায় ধীরে ধীরে তীব্রতা কমে আসতে পারে।
আগামী পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার থেকে শনিবার পর্যন্ত আকাশ আংশিক মেঘলা এবং সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল এবং কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা বজায় থাকবে।
বিশেষ করে মঙ্গলবার ও বুধবার ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া দপ্তর।
হঠাৎ শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। স্থবির হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
– লামিয়া আক্তার/










