২০১৫ সালের অষ্টম পে-স্কেলের পর গত এক দশকে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন কোনো বেতন কাঠামো ঘোষণা করা হয়নি। অথচ এই সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বহুগুণ বেড়ে যাওয়ায় কর্মচারীরা, বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্য আয়ের ব্যক্তিরা, জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন।
বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একটি মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখান থেকেই এই আল্টিমেটাম ও কর্মসূচির ঘোষণা আসে।
সংগঠনগুলো অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যেন ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করা হয়।
নেতারা বলেছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবি মানা না হলে জেলায় জেলায় শাটডাউন কর্মসূচি এবং পরবর্তীতে স্থায়ী কর্মবিরতির মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
পে-স্কেল ছাড়াও অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে রেশনিং ব্যবস্থা চালু, বিদ্যমান ভাতা পুনর্নির্ধারণ (চিকিৎসা, শিক্ষা, যাতায়াত ভাতা), টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল এবং গ্র্যাচুইটির হার বৃদ্ধি।










