রাঙামাটি পার্বত্য জেলার বনের পশুরা এখন বন থেকে লোকালয়ে এসে তান্ডব চালাচ্ছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ রাঙ্গামাটি বনাঞ্চলের বন্যপ্রাণী কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকার লোকালয়ে এসে তান্ডব চালাচ্ছে। শিলছড়ি, রামপাহাড়, ওয়াগ্গাছড়া চা বাগান, চিৎমরম মুসলিম পাড়া, কলা বুনিয়া, ব্রীকফিল্ড, বিউবো বাক্স হাউজ, নৌবাহিনী সড়ক, সুইডিশ আবাসিক, ফরেস্ট কলোনি, শিল্প এলাকা, শিল্প এলাকা সর্বত্র লোকালয়ে হাতি এসে তান্ডব চালায়।
চলতি বছরসহ গত দশ বছরে হাতির আক্রমণে প্রায় ১২/১৩ জনের মৃত্যুসহ ৩০জনের মত আহত হয়েছে এবং পাশাপাশি ফসলি জমিসহ ঘরবাড়ি নষ্ট করা হয়েছে। হাতির পাশাপাশি উপরোক্ত এলাকাসমুহ বন্যপ্রাণী হলুমান ও বানর তান্ডব চালাচ্ছে। প্রতিনিয়ত বানর ও হলুমান এসে সৃজিত বাগানের বড়ই, কলাগাছ, নারিকেল গাছ, আতাফল, সিম, পেয়ারাসহ সব সাবার করে দিচ্ছে। এছাড়াও ঘর ও দোকানে প্রবেশ করে সব সাবার করে দিচ্ছে।
এলাকার মহিলা ও দোকান ব্যবসায়ীরা হাতে লাঠি নিয়ে বানর ও হলুমান থেকে রক্ষা পেতে পাহাড়া দিতে দেখা যায়। শিল্প এলাকার মনোয়ারা বেগম, দোকান ব্যবসায়ী মো. শাহিন, সিফাত ও জাহাঙ্গীর বানর ও হলুমানের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে দোকানের ব্যবসা বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানান। হালিমা, কোহিনূর এদের অত্যাচারের থেকে কিভাবে রক্ষা পাবে এর প্রতিকার চায় স্থানীয় বন বিভাগের নিকট।
পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ রাঙ্গামাটি কাপ্তাই রেঞ্জ অফিসার ওমর ফারুক স্বাধীন জানান, বন্যপ্রাণী লোকালয় আসছে এটা ঠিক আছে। কিন্তু বনের ভিতর পশু খাদ্য এক শ্রেণির অসাধু লোক কয়েক বছর পূর্বে সাবার করার ফলে পশুরা বনে খাবার না পেয়ে লোকালয়ে আসছে। আমরা বন বিভাগের পক্ষ হতে যতটুকু সম্ভব লোকজনকে নিরাপত্তার জন্য সচেতন করছি। ৮কিঃমিঃ পর্যন্ত সোলার ফেন্সি স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া সরকারের পক্ষ হতে নিয়ম অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ক্ষতি পূরণ দেয়া হচ্ছে। এবং বানর ও হলুমান এরা ছোট প্রাণী এদের তো আটকিয়ে রাখা যায় না। তবে টিন ও বাজনা বাজিয়ে হাতি ও বানর হতে রক্ষা পাওয়ার কথা জানান।
দর্শন চাকমা, রাঙ্গামাটি










