জামানত হারালেন বগুড়া-২ হেভিওয়েট এমপি প্রার্থী মাহমুদুর রহমান মান্না

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২টি আসন নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন, হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে খ্যাত নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।

তিনি ঢাকা-১৮ আসন ও তার নিজ জন্মস্থান বগুড়া-২ শিবগঞ্জ আসনে তার দলীয় প্রতীক কেটলি নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। শেষ অবধি তিনি ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচন অপারগতা শিকার করে সড়ে দাড়ালেও বগুড়া-২ শিবগঞ্জ আসনে তিনি নির্বাচনী মাঠে থাকেন। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি প্রত্যাশিত ফল করতে পারেননি।

শিবগঞ্জ উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান জানান, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি কেটলী প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৩ হাজার ৪০৪ ভোট। ফলে কেটলি মার্কার প্রার্থী মাহমুদুর রহমান মান্না এ আসনে জামানত হারিয়েছেন।

বগুড়া-২ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৪২ হাজার ১৫৫ জন। এর মধ্যে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ১৫৯ টি। যা মোট ভোটারের ৭২ দশমিক ৬৩ শতাংশ।
জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ফজলুল করিম বলেন, নির্বাচনি আইন অনুযায়ী কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে হয়।

সে হিসেবে এই আসন থেকে মাহমুদুর রহমান মান্নার জামানত টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন ছিল কমপক্ষে ৩০ হাজার ৪৭৬ ভোট। কিন্তু মান্না পেয়েছেন মাত্র ৩ হাজার ৪০৪ ভোট। যা মোট বৈধ ভোটের প্রায় ১ দশমিক ৪ শতাংশ।

নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় ছিল মান্না। তাকে জোটগত ভাবে বরাবরের মতই বগুড়া-২ আসনটি ছেড়ে দিতে পারে বিএনপি। কিন্তু বিএনপি তাকে না ছাড় দিয়ে তাদের নিজ দলের প্রার্থী শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মীর শাহে আলম কে মনোনয়নে মনোনীত করেন।

এতেই কপাল পোড়ে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার। অভিজ্ঞ মহল বলছে বগুড়া বিএনপির আঁতুড়ঘর। এখানে যাকেই ধানের শীষ মার্কা নমিনেশন দেবে সেই নির্বাচিত হবে।

-গোলাম রব্বানী শিপন/মামুন