সাদিক কায়েম বলেন, ‘ভোটগ্রহণ সমাপ্তির পর সন্ধ্যা থেকেই সারাদেশের বিভিন্ন আসনে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীদের আচরণ হঠাৎ বদলে যায়। একইসাথে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে অনেক আসনে জনগণের রায় বদলানোর অপচেষ্টা করা হয়। এরই অংশ হিসেবে ঢাকা-৮, ১৩, ১৭ সহ দেশের বিভিন্ন আসনের ফলাফল আটকে রেখে জনরায় বদলানোর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে, যার প্রমাণ স্পষ্ট। একইসাথে ঢাকা- ৪ ও ১৬ আসনের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পরও স্থগিত করা হয়েছিল।’
তিনি বলেন, ‘সকল আসনের ফলাফল এখনও ঘোষণা করা না হলেও প্রথম সারির জাতীয় গণমাধ্যম একটি নির্দিষ্ট দলকে ২০০+ আসনে বিজয়ী হয়েছে বলে প্রচার করে। আমরা মনে করি সমগ্র রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করা হয়েছে। স্পষ্টতই মিডিয়া, এজেন্সি ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে এ কাজ সম্পন্ন করেছে।’










