কোনো কোনো রাজনৈতিক দল অস্ত্রের মজুত করছে: আসিফ মাহমুদ

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো কোনো রাজনৈতিক দল অস্ত্রের মজুত করছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেন, গত কয়েকদিনে আমরা দেখেছি, যৌথ বাহিনী কয়েকটি স্থানে অস্ত্র উদ্ধার করেছে। এ জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো কোনো রাজনৈতিক দল অস্ত্রের মজুত করছে। আমরা আশঙ্কা করছি, এসব অস্ত্র সহিংসতার জন্য ব্যবহার করা হতে পারে।

শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামটরে এনসিপির প্রধান কার্যালয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন তিনি।

আসিফ মাহমুদ বলেন, সাধারণত নির্বাচনের আগে যেরকম পরিস্থিতি দেখা যায়, এখন পর্যন্ত তা থেকে ভালো পরিবেশ আছে। এই কৃতিত্ব সরকার কিংবা নির্বাচন কমিশনের নয়, বরং বেশির ভাগ রাজনৈতিক দলের। তবে এর পেছনে একটি কালো দিকও আছে। অনেকেই নির্বাচনকে সামনে রেখে অস্ত্রের মজুত করছে। এই বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের আরও কঠোর হওয়া প্রয়োজন। নির্বাচনের দিনে এটা একটা ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে। আমাদের আহ্বান থাকবে, যৌথ বাহিনীর অভিযানগুলো আরও গুরুতরভাবে চালানোর।

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে এনসিপির মুখপাত্র বলেন, আমরা দেখছি, ছোট ছোট অপরাধে নির্দিষ্ট কিছু রাজনৈতিক দল যেমন জাতীয় নাগরিক পার্টি সবচেয়ে বেশি শোকজ কিংবা জরিমানার শিকার হয়েছে। কিন্তু সরাসরি ভোটারদের যারা হুমকি দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। পরিষ্কারভাবেই পক্ষপাতিত্ব দেখা যাচ্ছে। অনেকেই আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। রাত ৮টা পর্যন্ত মাইক বাজানোর কথা থাকলেও রাত ২টা-৩টা পর্যন্ত মাইক দিয়ে বড় বড় সমাবেশ হচ্ছে। অথচ তিনটা মাইকের বাধ্যবাধকতা থাকলেও অনেকে ৩০০-৪০০ মাইক ব্যবহার করছে। কিন্তু এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন, মুখ্য সমন্বয়কারী তারিকুল ইসলাম প্রমুখ।
-সাইমুন