ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সৃষ্ট উত্তেজনা নিরসনে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী শুক্রবার তুরস্কের ইস্তাম্বুলে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানা গেছে।
সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। যদিও আলোচনার প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তবে সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, পরিকল্পনায় শেষ মুহূর্তে পরিবর্তন আসতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক হুঁশিয়ারি দিয়ে দেশটিকে আলোচনার টেবিলে বসার আহ্বান জানিয়েছেন। গত সপ্তাহে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ট্রাম্প ইরানের দিকে বিশালাকার রণতরী পাঠানোর হুমকি দেন। তবে পরবর্তীকালে তিনি দাবি করেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে।
অন্যদিকে ইরানের কর্মকর্তারাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, যেকোনো মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে তারা দ্রুত এবং বড়সড় পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
আঞ্চলিক উত্তেজনার এই আবহে তুরস্ক, মিশর এবং কাতার ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে। এরই অংশ হিসেবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি সম্প্রতি ইস্তাম্বুলে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সাথে বৈঠক করেছেন।
ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পুনরায় পারমাণবিক আলোচনা শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। শুক্রবারের সম্ভাব্য এই বৈঠকটি সেই নির্দেশেরই বাস্তবায়ন বলে মনে করা হচ্ছে।
-সাইমুন










