মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর দুই ছেলে তাদের ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত কর রিটার্নের তথ্য ফাঁস করার অভিযোগে ফেডারেল সরকারের বিরুদ্ধে বিলিয়ন ডলারের মামলা করেছেন। ফ্লোরিডার মিয়ামির ফেডারেল আদালতে দায়ের করা এই দেওয়ানি অভিযোগে ১০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে। শুক্রবার বিবিসি এ খবর জানায়। এতে বলা হয়, ট্রাম্প পরিবারের অভিযোগ– অভ্যন্তরীণ রাজস্ব পরিষেবা (আইআরএস) এবং রাজস্ব বিভাগকে একজন সাবেক গ্রাহকের ‘গোপনীয়, ব্যক্তিগত আর্থিক তথ্য’ প্রকাশ ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে।
২০১৬ সালে নির্বাচনের আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি তাঁর কর রিটার্ন প্রকাশ করবেন না। কারণ তিনি অডিটের অধীনে ছিলেন। ফলে প্রায় ৫০ বছরের মধ্যে তিনিই প্রথম প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হন, যিনি নথি প্রকাশ করেননি। ২০২০ সালের পুনর্নির্বাচনের আগেও তিনি একই কথা বলেছিলেন। তার পর ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর, নভেম্বরের নির্বাচনের ঠিক আগে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ট্রাম্পের কর রিটার্ন সম্পর্কে একটি বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে প্রকাশ করা হয়, তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার বছর মাত্র ৭৫০ ডলার ফেডারেল আয়কর দিয়েছিলেন এবং আগের ১৫ বছরের মধ্যে ১০ বছর কোনো কর দেননি। দুই বছর পর ২০২২ সালে ট্রাম্প নিজেই নথি প্রকাশ করেন।
মামলায় বলা হয়, আইআরএস ও ট্রেজারি বিভাগ উভয়েরই এ ধরনের প্রকাশনা জনসমক্ষে প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকার দায়িত্ব ছিল। কিন্তু এ ধরনের বাধ্যতামূলক সতর্কতা অবলম্বনে তারা ব্যর্থ হয়েছেন। মামলায় ট্রাম্প, তাঁর ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র, এরিক ট্রাম্প ও ট্রাম্প অর্গানাইজেশন বলেছে, তারা সুনাম ও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। পাশাপাশি নিউইয়র্ক টাইমস ও প্রোপাবলিকায় ফাঁস হওয়া তথ্যের কারণে জনসাধারণের কাছে লজ্জার সম্মুখীন হয়েছেন। মামলায় বলা হয়, এ তথ্য তাদের ব্যবসায়িক সুনামকে ‘অন্যায়ভাবে কলঙ্কিত’ করেছে, তাদের মিথ্যা আলোয় চিত্রিত করেছে এবং তাদের জনসাধারণের অবস্থানকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করেছে।
বেলাল হোসেন/









