কাটপিসে কোনো ডামি ব্যবহার করিনি

সিফাত আমিন শুভ সহকারী পরিচালক হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও এখন তিনি পুরোদস্তুর মডেল ও অভিনেতা। নাটক ও ওয়েব কন্টেন্টে কাজ করছেন নিয়মিত। ইতিমধ্যে শেষ করলেন প্রথম সিনেমার কাজ। ছবির নাম ‘কাটপিস’। ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। আসন্ন রোজার ঈদে মুক্তি পাবে। প্রথম অভিনীত সিনেমা প্রসঙ্গে গুণী এই অভিনেতার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আলোকিত স্বদেশের মাহমুদ সালেহীন খান ।

সাম্প্রতিক সময়ে কি নিয়ে ব্যস্ততা যাচ্ছে?
কিছু বিজ্ঞাপনের কাজ করছি। বিজ্ঞাপণ নিয়ে ব্যস্ততা যাচ্ছে। ওয়েব ফিল্ম নিয়ে কথা চলছে। সেগুলোতে এখন মনযোগী আমি।

আপনার প্রথম বাণিজ্যিক ছবি ‘কাটপিস’ মুক্তি পাবে ঈদে। কেমন অনুভুতি ?
আমার প্রথম বাণিজ্যিক ছবি। তাই আমি খুব এক্সসাইটেড। কাজ করতে খুব ভালো লেগেছে। পুরো টিম খুব আন্তরিক। বিশেষ করে পরিচালকের কথা বলতে হবে। তিনি যত্ন করে সিনেমাটি বানিয়েছেন।

এখানে আপনার চরিত্র নিয়ে শুনতে চাই ?
আমার চরিত্র নিয়ে বিশেষ কিছু বলতে চাই না। তবে এতটুকু বলবো খুব চ্যালেঞ্জিং চরিত্র এটি। চেষ্টা করেছি আমার সবচেয়ে সেরাটা দিয়ে চরিত্রটিকে ফুটিয়ে তুলতে। বাকিটা সিনেমা হলে গিয়ে দর্শক বলতে পারবেন। কেমন করলাম।

কাজ করতে কি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে?পুরো সিনেমাটি চ্যালেঞ্জ ছিল। আমি কোনো ডামি ব্যবহার করিনি। প্রত্যেকটি শুট ছিল আমার নিজের করা। আমরা খুব কম সময়ে শুটিং শেষ করেছি। কোনো বিরতি ছিলো না। আমার চরিত্রে ৩/ ৪টি লেয়ার ছিল। ক্ষণে ক্ষণে আমার চরিত্র পরিবর্তন হয়েছে।

শুটিংয়ের কোনো মজার কথা যদি বলতে চান?
সম্পূর্ণ শ্যুটিংয়ের সময়ে খুব মজার সময় কেটেছে। বেশিরভাগ কাজ হয়েছে মিরপুরে। আমার এলাকায় শ্যুটিং হওয়াতে স্থানীয়রা খুব প্রশংসা ও সহযোগিতা করেছেন। চির কৃতজ্ঞ তাদের কাছে।

কাটপিস কেন দর্শক সিনেমা হলে গিয়ে দেখবেন?
কাটপিছ মানুষ দেখবে কারণ এটি সবার সঙ্গে সম্পর্কিত গল্প। তাছাড়া এটি সম্পূর্ণ রোমান্টিক বাণিজ্যিক ছবি। এখানে নাচ, গান, রোমান্স, অ্যাকশন সবকিছুই আছে। যা দর্শককে রোমাঞ্চিত করবেন, নতুন ভাবনার খোরাক দিবে।

কখনো নাটক, কখনো ওয়েব ফিল্ম আবার কখনো গানের মডেল! শুভ নিজেকে কোন প্লাটফর্মে দেখতে বেশি পছন্দ করেন?
ভালো মানের গল্প ও চরিত্রকেই প্রাধান্য দিচ্ছি। সেটা হোক নাটক, ওয়েব ফিল্ম কিংবা গান। আমার কাছে আপাতত প্লাটফর্মের থেকেও চরিত্র বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’ ‘হ্যাঁ আমার পথচলাটা একটু ভিন্ন। স্বাভাবিকভাবে আমাদের দেশের মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতে দেখা যায়, যারা ছোট পর্দায় অভিনয় করছেন তাদের অধিকাংশই নাটক-ওয়েব ফিল্ম নিয়ে ব্যস্ত থাকছেন। আবার যারা বড় পর্দায় অভিনয় করছেন, তারা কেবল সিনেমা নিয়ে। আমি নিজেকে নির্দিষ্ট কোনো গণ্ডিতে আটকে রাখতে চাইনি। ভালো চরিত্র ও কাজের অপেক্ষা করেছি। যখন যেটা ব্যাটে বলে মিলেছে, সেখানেই নিজেকে প্রমাণের চেষ্টা করেছি।’

মাহমুদ সালেহীন খান