শিক্ষা মন্ত্রণালয় জারিকৃত নতুন পরিপত্র অনুযায়ী, এখন থেকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধানদের নিয়োগ ও সুপারিশের দায়িত্ব পালন করবে এনটিআরসিএ, যা কমিটির নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধে কার্যকর হবে।
বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সুপারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের নিয়মে বড় পরিবর্তন এনেছে সরকার। মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক পরিপত্রের মাধ্যমে জানানো হয়, এখন থেকে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এসব পদে নিয়োগের পরীক্ষা গ্রহণ ও সুপারিশ করবে। ২০০৫ সালের এনটিআরসিএ আইনের ক্ষমতাবলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগে প্রার্থীদের মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। এর মধ্যে লিখিত ও বাছাই পরীক্ষায় ৮০ নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদে ১২ নম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষায় ৮ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য অন্তত ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরগুলো প্রতিবছর শূন্য পদের চাহিদা এনটিআরসিএ’র কাছে পাঠাবে।
এতদিন পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ সম্পন্ন হতো, যা নিয়ে প্রায়ই দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠত। নতুন এই পদ্ধতিতে কমিটির ক্ষমতা খর্ব করে স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
একইসঙ্গে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মচারী নিয়োগের নিয়মেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে পরিচালনা পর্ষদ নয়, বরং জেলা প্রশাসকের (ডিসি) নেতৃত্বে গঠিত একটি স্বাধীন কমিটির মাধ্যমে কর্মচারী নিয়োগের পরীক্ষা ও মূল্যায়ন করা হবে। ওই কমিটিতে পরিচালনা পর্ষদের কোনো সদস্য থাকতে পারবেন না।
মালিহা










