আগামী ১৯ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ১৬টি শহরে শুরু হচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। ৪৮ দল অংশ নেওয়া এ টুর্নামেন্টকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এর মধ্যে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে টিকটক।
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এবার প্রথমবারের মতো টিকটককে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে এটিকে ‘পছন্দসই ভিডিও প্ল্যাটফর্ম’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
ফিফার ঘোষণা অনুযায়ী, এবারের বিশ্বকাপে টিকটকের কনটেন্ট ক্রিয়েটররা বিশেষ অ্যাকসেস পাবেন। বিশ্বকাপের সম্প্রচারস্বত্বাধিকারীরা টিকটক অ্যাপের একটি ডেডিকেটেড হাবের মাধ্যমে ১০৪টি ম্যাচের বিভিন্ন অংশ লাইভস্ট্রিম করতে পারবেন।
ফিফা আরও জানিয়েছে, বিপুলসংখ্যক কনটেন্ট ক্রিয়েটর ফিফার আর্কাইভাল ফুটেজ ব্যবহার করে নতুন কনটেন্ট তৈরি করার সুযোগ পাবেন। এর মাধ্যমে ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, বিশ্লেষণ ও ভিন্নধর্মী ভিডিও সহজে দর্শকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া যাবে।
এবারের বিশ্বকাপে ভক্তদের জন্য থাকছে বাড়তি চমক। ফিফার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, দর্শকরা পর্দার আড়ালের ও মাঠের ভেতরের এমন দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন, যা আগে কখনো দেখা যায়নি। অংশগ্রহণকারী ভক্তদের মধ্য থেকে নির্বাচিতদের জন্য টিকটক ইন–অ্যাপ থাকছে কাস্টম স্টিকার, ফিল্টার ও গেমিফিকেশন ফিচারস।
বর্তমানে টিকটক বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড হওয়া অ্যাপ। তবে জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট উদ্বেগের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপটি নিষিদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনাও নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে টিকটকের এই বৈশ্বিক অংশীদারত্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
– এমইউএম/










