ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সচিবালয়ে তার দপ্তরে যোগ দিচ্ছেন। সকাল থেকেই সচিবালয় ও এর আশপাশের এলাকায় উৎসবের আমেজের পাশাপাশি কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম দিনের কর্মসূচি শুরু হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে। সকাল ১০টায় তিনি নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের সাথে নিয়ে সাভারে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। সেখান থেকে ফিরে তিনি ধানমন্ডি ও শেরেবাংলা নগরে অন্যান্য জাতীয় স্থাপনাতেও শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে পৌঁছাবেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২০ নম্বর ভবনের দ্বিতীয় তলায় (কক্ষ নম্বর ২০১) তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে।
দপ্তরে পৌঁছেই তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে পরিচিত হবেন এবং সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন।
কর্মকর্তাদের সাথে সভার পর সচিবালয়েই মধ্যাহ্নভোজ সারবেন প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যরা।
প্রথম দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট হলো বিকেল ৩টার মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এটিই হবে এই সরকারের প্রথম আনুষ্ঠানিক পলিসি মিটিং। এই বৈঠকে মূলত জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল করার মতো জরুরি বিষয়গুলো নিয়ে প্রাথমিক দিকনির্দেশনা দেওয়া হতে পারে।
মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরপরই বিকেল ৪টায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও সচিবদের সাথে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে প্রশাসনের স্থবিরতা কাটিয়ে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে তিনি বিশেষ বার্তা দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত কয়েক দিন ধরেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে সাজ সাজ রব বিরাজ করছে। কর্মকর্তাদের হাতে হাতে নতুন ফাইল এবং নতুন মন্ত্রীদের কক্ষ বরাদ্দের ব্যস্ততা লক্ষ্য করা গেছে। নতুন প্রধানমন্ত্রীর রুচি ও নির্দেশ অনুযায়ী দাপ্তরিক সরঞ্জাম ও প্রয়োজনীয় প্রসাধন সামগ্রীও ইতিমধ্যে তাঁর দপ্তরে রাখা হয়েছে।
–লামিয়া আক্তার










