“অধিকাংশ ক্ষেত্রে এ ধরনের অপকর্মগুলো শিবির সরাসরি ফেস না করে শিবিরের বি টিম এবং সি টিমকে কাজে লাগায়।”
গুপ্ত রাজনীতি আর চলতে দেওয়া হবে না: ছাত্রদল সভাপতি
তিনি জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের সব পর্যায়ের কমিটি প্রকাশ্যে ঘোষণা করার দাবি জানান
তিনি এক ফেইসবুক পোস্টে বলেছেন, “বাংলাদেশে আর কোন গুপ্ত রাজনীতি চলবে না। জামায়াত ইসলাম এবং ছাত্র শিবিরের সবগুলো কমিটি প্রকাশ করতে হবে।
“আমরা দেখতে চাই, তাদের কয়েক লক্ষ নেতা-কর্মীদের কেও কখনও পারিবারিক, সামাজিক, ব্যক্তিগত সমস্যামুক্ত কি না, তাদের বর্ণনা অনুযায়ী তারা কি ভিন্ন গ্রহের ফেরেশতা কি না, তা যাচাই বাছাই করার সময় এসেছে।”
শনিবার রাত ১টার দিকে এ পোস্ট দিয়ে বসেন ছাত্রদল সভাপতি রাকিব।
তিনি লিখেছেন, “বিএনপি তার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের লক্ষ লক্ষ নেতা-কর্মীই শুধু নয়, সমর্থকও যদি বাংলাদেশের বাস্তবতার নিরিখে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক নানাবিধ অরাজনৈতিক কোন সমস্যায় জর্জরিত হয়, সেটা নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মব করা হয়, শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নামে নোংরা ও অশালীন স্লোগান দেয়া হয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক গুজব ছড়ানো হয়, সাথে সাথে সত্য মিথ্যার মিশ্রণে ফটোকার্ড তৈরী করে পুরো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়া হয়।
“অধিকাংশ ক্ষেত্রে এ ধরনের অপকর্মগুলো শিবির সরাসরি ফেস না করে শিবিরের বি টিম এবং সি টিমকে কাজে লাগায়।”
জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের সমর্থকরা অনেকক্ষেত্রে পরিচয় গোপন রেখে ‘রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক’ সংকট তৈরি করলেও দল ও সংগঠনটিকে কোনো দায় নিতে হচ্ছে না বলে মনে করেন ছাত্রদল সভাপতি রাকিব।
তার কথায়, “জামায়াত ইসলাম ও ছাত্র শিবির তাদের সমর্থক তো দূরের কথা, তাদের কয়েক লক্ষ একনিষ্ঠ নেতা-কর্মীদের পরিচয় যুগের পর যুগ অপ্রকাশিত ও গুপ্ত রেখে তাদের পারিবারিক, সামাজিক, ব্যক্তিগত ইত্যাদি রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সমস্যায় জর্জরিত হলেও দলীয়ভাবে তার দায় নিতে হচ্ছে না। এ ধরনের ইহুদী স্টাইলের অপকৌশলের রাজনীতি করে বিধায় জামায়াত শিবিরকে আমরা এবং আলেম সমাজ মোনাফেক হিসেবে আখ্যায়িত করে।
“এ অবস্থা আর চলতে দেয়া হবে না। লক্ষ লক্ষ নেতা-কর্মীদের গুপ্ত রেখে বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার এ অপকৌশলের রাজনীতি আর চলতে দেয়া হবে না। অচিরেই এ বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে সুরাহা করা হবে।”
-মামুন










